প্রয়োজনে শিক্ষকতা চাকরি ছেড়ে দিবো, কোচিং ছাড়বো না - OEBD | বিস্তারিত ভিতরে প্রয়োজনে শিক্ষকতা চাকরি ছেড়ে দিবো, কোচিং ছাড়বো না - OEBD | বিস্তারিত ভিতরে

প্রয়োজনে শিক্ষকতা চাকরি ছেড়ে দিবো, কোচিং ছাড়বো না

1532

 

বর্তমান সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ময়মনসিংহে কোচিং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষক। তাতে স্কুল ও কলেজে শিক্ষকদের ছাএছাএীদের ভালো করে ক্লাস ও করাচ্ছে না। কেউ কেউ আবার বলছেন, তারা প্রয়োজনে শিক্ষকের  চাকরি ছেড়ে দেবেন, কিন্তু কোচিং ছাড়তে পারবেন না.

শহরের প্রিমিয়ার আইডিয়াল স্কুলের গণিতের শিক্ষক এনামউল্লাহ বলেন, “স্কুল থেকে যে বেতন পাই তা দিয়ে সংসার চলে না। তাই বাধ্য হয়ে কোচিং চালু রেখেছি। প্রয়োজনে চাকরি ছেড়ে দেব, কোচিং ছাড়তে পারব না।”

তিনি প্রতি ব্যাচে ২৫ থেকে ৩০ জন করে দৈনিক আট থেকে ১০টি ব্যাচে কোচিং করান বলে জানান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের ‘কোচিং পাড়া’ হিসেবে পরিচিত বাউন্ডারি রোড, নাহা রোড, নতুন বাজার, কালিবাড়ি, গোলকি বাড়ি ও জিলা স্কুল রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে বহু কোচিং সেন্টার। এসবের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষক।

শহরের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক আনোয়ার কাদের রতন তাদেরই একজন।

তিনি বলেন, “আমি সরকারের নিয়ম মেনে বাসায় প্রাইভেট পড়াচ্ছি। এটা কোনো কোচিং নয়।”

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষকরা অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বাধিক ১০ জনকে নিজের বাসায় বা শিক্ষার্থীর বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি লাগবে।
কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা যায় তারা প্রতি ব্যাচে ৩০ থেকে ৫০ জন ছাএছাএীকে একসাথে কোচিংয়ে পড়ায়।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *