ফাহাদ'কে নিয়ে লেখা ভারতীয় তরুণীর যে স্ট্যাটাস নিয়ে তোলপাড় - OEBD | বিস্তারিত ভিতরে ফাহাদ'কে নিয়ে লেখা ভারতীয় তরুণীর যে স্ট্যাটাস নিয়ে তোলপাড় - OEBD | বিস্তারিত ভিতরে

ফাহাদ’কে নিয়ে লেখা ভারতীয় তরুণীর যে স্ট্যাটাস নিয়ে তোলপাড়

1469

বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হ*ত্যার ঘটনায় পুরো দেশ উত্তাল। দেশ থেকে এর প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশেও। সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে প্রতিবাদের ঝড়। দলমত নির্বিশেষে আবরারের হ*ত্যাকারীদের শাস্তি দাবি করছেন সবাই। এবার সেই প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন এক ভারতীয় নাগরিক।

তনুস্রী রয় নামে নামে এক ভারতীয় নাগরিক আবারারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। ইতোমধ্যে এ পোস্ট ভাইরালও হয়েছে। পাঠকদের জন্য তনুস্রী রয়ের সেই পোস্ট হবহু তুলে ধরা হলো :

“যদিও আমি ভারতীয় তারপরও বাংলাদেশের প্রতি আমার আলাদা একটা টান রয়েছে। কারণ আমার পূর্বপুরুষ বাংলাদেশেরই মানুষ ছিলেন ৪৭’র দেশভাগের পর ভারতে চলে আসেন। বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক এটা আমি সবসময় চাই।

শুনলাম ভারত-বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়ায় একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে হ*ত্যা করা হয়েছে। স্ট্যাটাসটা আমি পড়লাম, নিজের দেশের স্বার্থ নিয়ে লিখার জন্য কিভাবে নিজের দেশেরই লোক একটা ছেলেকে এভাবে পি*টিয়ে হ*ত্যা করে ফেলে এটা আমার কাছে আশ্চর্য লাগছে।

নিশ্চিত থাক এটাই হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবথেকে বেশী ভালবাসার স্ট্যাটাস

নিশ্চিত থাক বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভালবাসার স্ট্যাটাস হবে এটা : ড. আসিফ নজরুলআবরারকে নিয়ে ড. আসিফ নজরুলের ফেসবুক স্ট্যাটাস”আবরারের খুনীরা ভাল করে শোন, যে ষ্ট্যাটাসের জন্য তোরা হত্যা করেছিস আবরারকে, তাতে এখন পর্যন্ত লাইক পড়েছে এক লক্ষের উপর, শেয়ার করেছে ৩০ হাজারের বেশী মানুষ।

নিশ্চিত থাক বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভালবাসার স্ট্যাটাস হবে এটা।আবরারকে কি তোরা সত্যি খুন করতে পারলি?সে চিরদিন থাকবে বাংলাদেশে মানুষের দোয়া, প্রার্থনা ভালোবাসায়।তোরা থাকবি ঘৃনা আর ধিক্কারে!”অবশ্য এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত দেখা যায়, লাইক পড়েছে এক লক্ষ ৯০ হাজার, শেয়ার করেছে ৪৭ হাজারের বেশী মানুষ।

নোবেলজয়ীরা কত টাকা পায়, জানেন?

জীবদ্দশায় ৩৫৫টি উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হয়েছিলেন আলফ্রেড নোবেল। সুইডিশ এ বিজ্ঞানীর বড় ভাই লুডভিগ ১৮৮৮ সালে ফ্রান্সে বেড়াতে গিয়ে মারা যান। কিন্তু ফরাসি এক দৈনিক ভুল করে আলফ্রেড নোবেল মারা গেছেন ভেবে নিয়ে শিরোনাম করে, ‘মৃত্যুর সওদাগর মারা গেছেন’। যেহেতু নোবেলের অধিকাংশ আবিষ্কারই ছিল আগ্নেয়াস্ত্র, তাই এমন শিরোনাম। নোবেল তখনই বুঝতে পেরেছিলেন, মৃত্যুর পর ইতিহাস তাঁকে কীভাবে মনে রাখবে।

আর তাই জীবদ্দশায় করে যাওয়া অনেকগুলো উইলের মধ্যে শেষ উইলে নোবেল উল্লেখ করেন যে তাঁর সব সম্পদ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে, যাঁরা পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্যে মানবতার স্বার্থে কাজ করবেন। এ জন্য নোবেল তাঁর মোট সম্পদের ৯৪ শতাংশ উইল করে যান, যা এখন নোবেল পুরস্কার হিসেবে স্বীকৃত। ১৯০১ সালে পুরস্কারটি চালু হওয়ার পর থেকে গত বছর পর্যন্ত ২৩টি প্রতিষ্ঠান ও ৮৮১ জন্য ব্যক্তি জিতেছেন ভীষণ সম্মানজনক এ পুরস্কার।

নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের বলা হয় ‘নোবেল লরিয়েট’। ১৯৮০ সালের আগ পর্যন্ত নোবেল বিজয়ীরা যে পদক পেতেন, সেটা ছিল ২৩ ক্যারেট স্বর্ণের। এরপর থেকে ১৮ ক্যারেট ‘সবুজ স্বর্ণে’র ধাতবের ওপর ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের প্রলেপ দেওয়া পদক দেওয়া হচ্ছে নোবেল বিজয়ীদের। এ ছাড়া একটি সনদ এবং মোটা অঙ্কের অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয় সভ্যতার অগ্রযাত্রায় নানাভাবে অবদান রাখা মহানায়কদের। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, নোবেলজয়ীরা ঠিক কত টাকা পুরস্কার পান?

গত বছর নোবেল বিজয়ীদের নগদ অর্থের পরিমাণ ছিল ৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা প্রায় আট কোটি টাকা। নোবেল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ বছর নগদ অর্থের পরিমাণ হবে ১১ লাখ ডলার, মানে ৯ কোটি টাকার কিছু বেশি। গত ১৪ সেপ্টেম্বর সুইডেনের স্টকহোমে নগদ অর্থপুরস্কার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় নোবেল ফাউন্ডেশন।

টাকার চেয়ে সম্মান অবশ্যই বড়। কিন্তু নোবেল এমনই এক পুরস্কার, যেখানে টাকার অঙ্কটাও হেলাফেলা করার সুযোগ নেই। যদিও অনেক নোবেল বিজয়ী তাঁদের পুরস্কার জয়ের টাকা দাতব্যকাজে দান করে দেন। সূত্র: সিএনএন।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *