ঐশ্বরিয়ার যে আপত্তিকর দৃশ্য অশান্তির জন্ম দেয় বচ্চন পরিবারে! - OEBD | বিস্তারিত ভিতরে ঐশ্বরিয়ার যে আপত্তিকর দৃশ্য অশান্তির জন্ম দেয় বচ্চন পরিবারে! - OEBD | বিস্তারিত ভিতরে

ঐশ্বরিয়ার যে আপত্তিকর দৃশ্য অশান্তির জন্ম দেয় বচ্চন পরিবারে!

170

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। ক্যারিয়ারে বহু দর্শক প্রিয় ও ব্যবসা সফল ছবি উপহার দিয়েছেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী। ব্যক্তিগত জীবনে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা সালমানের খানের সঙ্গে। কিন্তু সে সম্পর্ক টেকেনি।

শেষ পর্যন্ত প্রেম করেই বিয়ে করেছেন আরেক বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে। অভিষেক বলিউডের সর্বকালের সেরা অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের ছেলে।

বচ্চন পরিবারের আসার পর অভিনয় এমনিতে কমিয়ে দেন ঐশ্বরিয়া। স্বামী-সংসার-সন্তান নিয়ে নিজেকে অনেকটাই ব্যস্ত করে ফেলেন তিনি।

বিয়ের পর রণবীর কাপুরের সঙ্গে জুটি বেধে একটি ছবিতে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া। ছবিটির নাম ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’। করণ জোহর পরিচালিত ওই ছবিতে রণবীরের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল ঐশ্বরিয়ার। এর মধ্যে অন্তত তিনটি দৃশ্য ছিল আপত্তিকর।

ইউটিউবে ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিটির ট্রেলার মুক্তি পেলে সেই ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে অশান্তির সৃষ্টি হয় বচ্চন পরিবারে।

শুধু তাই নয়, এসব ঘনিষ্ঠ দৃশ্য দেখে অভিষেক বচ্চনসহ পরিবারের সবাই মারাত্মক বিরক্তও হন। তারা শুধু ঐশ্বরিয়া-রণবীরের ওপরে নয়, চটেছিলেন ছবির পরিচালকের ওপরেও।

পরবর্তীতে অমিতাভ বচ্চনের নির্দেশেই সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন ওই ছবি থেকে ঐশ্বরিয়া আর রণবীরের অন্তত তিনটি আপত্তিকর দৃশ্য কেটে দেয়।

‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ এর ট্রেলার:

প্র’তিমা দেখতে যাওয়ার সময় বাবার মোটরসাইকেল থেকে প’ড়ে মেয়ে নি’হত

দিনাজপুরের বিরলে বাবার সঙ্গে প্র’তিমা দেখতে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে আরাধনা রায় (৬) নামের এক শিশুর মৃ’ত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বোর্ডেরহাট নামক স্থানে এই দু’র্ঘটনা ঘটে।

নি’হত আরাধনা রায় দিনাজপুর সদর উপজেলার উথরাইল গ্রামের নরেশ চন্দ্র রায়ের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আরাধনা রায় সোমবার দুপুরে তার বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে দু’র্গাপূজার প্র’তিমা দেখতে বোর্ডেরহাটে যাচ্ছিল। এ সময় অ’সাবধানতাবশত মোটরসাইকেল থেকে প’ড়ে শিশু আরাধনা গু’রুতর আ’হত হয়। পরে তাকে উ’দ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ক’র্তব্যরত চিকিৎসক মৃ’ত ঘোষণা করেন।

বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম গোলাম রসুল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে বিরল থানায় একটি ইউডি মা’মলা হয়েছে।

‘সম্রাটের মতো আর কোনও জনপ্রিয় নেতা নেই’ ঃ সম্রাটের স্ত্রী

যুবলীগের নেতা ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাটের দ্বিতীয় শারমিন চৌধুরী বলেন, জুয়ার টাকা দিয়েই দল পালেন সম্রাট। তার বাড়ি-গাড়ি গড়ার কোনও নেশা নেই, তবে জুয়ার নেশা প্রচণ্ড। জুয়া খেলতে সিঙ্গাপুরেও যেতেন। সেখানে তার এক স্ত্রীও আছে। এ কারণে আমাকে কখনই সিঙ্গাপুরে নিয়ে যেতো না।*

*রোববার (৬ অক্টোবর) সম্রাটের মহাখালীর বাসায় গণমাধ্যমের কাছে এমনটাই দাবি করেছেন গণমাধ্যমকে সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী।*
*শারমিন চৌধুরী বলেন, তার সঙ্গে সম্রাটের নানা কারণে বনিবনা হতো না, তারপরেও যোগাযোগ আছে। আর সেটা হতো ফোনের মাধ্যমে। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বর্তমান রয়েছে।*
*তিনি আরও বলেন, সম্রাটের মতো আর কোনও জনপ্রিয় নেতা নেই। ঢাকা উত্তরেও তো একজন নেতা রয়েছেস তিনি তো তার মতো জনপ্রিয় নন।*

*সম্রাটের তিন স্ত্রী, স্ত্রীরা কে কোথায়?*
*সম্রাট কবে গ্রেপ্তার হবে, আদৌ গ্রেপ্তার হয়ে গেছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল আমাদের মনে। শুদ্ধি অভিযানে সম্রাটের সমকক্ষদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কিন্তু সম্রাটের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। তবে আজ অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। যাকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই।*

*কে এই সম্রাট, কীভাবে তার উত্থান, তা নিয়ে অনেক জেনেছি আমরা ইতিমধ্যে। কিন্তু তার পারিবারিক এবং বৈবাহিক জীবন নিয়েও তো জানতে ইচ্ছে হয়। এ পর্যন্ত সম্রাটের তিনজন স্ত্রীর খবর জানা গেছে। যাদের মধ্যে একজন সিঙ্গাপুরের নাগরিক বলেও পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।*

*জানা যায়, বাংলাদেশী দুই জন স্ত্রীর মধ্যে প্রথম পক্ষের স্ত্রী বাড্ডায় থাকেন। এ সংসারে সদ্য পড়াশুনা শেষ করা সম্রাটের এক মেয়ে রয়েছে। তবে সম্রাট প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে থাকতেন না। তিনি থাকতেন দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে মহাখালীর ডিওএইচএস’র বাসায়। এ সংসারে তার একমাত্র ছেলে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।*
*এদিকে গত দুই বছর ধরে মহাখালিতে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসায়ও যেতেন না। তিনি কাকরাইলের ভূঁইয়া ম্যানশনে নিজ কার্যালয়ে থাকতেন। তবে গাড়ির চালকের খরচসহ পরিবারের সব খরচ দিতেন। সিঙ্গাপুরে সম্রাটের সেদেশের নাগরিক এক স্ত্রী থাকলেও সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।*

*সম্রাটের আরও দুই ভাই রয়েছে। এক ভাই ছাত্রলীগের রাজনীতি করেন। আরেক ভাই সম্রাটের ক্যাসিনো ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। সম্রাটের মা ভাইদের সঙ্গে ঢাকায় থাকতেন। সম্রাটদের গ্রামের বাড়ি ফেনীতে।*
*এদিকে আজ রোববার ভোররাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সহযোগী আরমানসহ তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় এনেছে র‌্যাব। তাদেরকে আজই আদালতে তোলা হবে। সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততা, চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা হবে। এসব মামলা করা হবে মতিঝিল বা রমনা থানায়। ক্যাসিনো ও চাঁদাবাজি মামলার জন্য সম্রাটকে ৭ থেকে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ারও আবেদন করা হবে বলে র‌্যাব সূত্রে জানা যায়।*

*শুদ্ধি অভিযান শুরুর প্রথম তিন দিন তিনি দৃশ্যমান ছিলেন। ফোনও ধরতেন। এরপরই তিনি গা ঢাকা দেন। দেশত্যাগের চেষ্টাও করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজনৈতিক অঙ্গনের লোকেরা মনে করেন, ঢাকায় ক্যাসিনো ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক সম্রাট। অভিযান শুরুর পর গত ২২ সেপ্টেম্বর সম্রাটের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত একটি আদেশ দেশের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে পাঠানো হয়। তাঁর ব্যাংক হিসাবও তলব করা হয়েছিল।*




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *