ভাতের থালায় চুল পাওয়ায় স্ত্রীর মাথা ন্যাড়া করলো ক্ষুব্ধ স্বামী - OEBD | বিস্তারিত ভিতরে ভাতের থালায় চুল পাওয়ায় স্ত্রীর মাথা ন্যাড়া করলো ক্ষুব্ধ স্বামী - OEBD | বিস্তারিত ভিতরে

ভাতের থালায় চুল পাওয়ায় স্ত্রীর মাথা ন্যাড়া করলো ক্ষুব্ধ স্বামী

556

ভাতের থালায় চুল পাওয়ায় স্ত্রীর মাথা ন্যাড়া করে দিয়েছে ক্ষুব্ধ স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরহাট সদর উপজেলার শালগ্রামে। সোমবার (০৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় এ ঘটনার ঘটার পর পুলিশ দুপুরে বাবলুকে আটক থানায়।

পরে এ নির্যাতনের ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করেন স্ত্রী আরজিনা বেগম। আটক বাবলু মিয়া একই গ্রামের মৃত জামাল মিয়ার ছেলে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার খাঁন জানান, বাবলু প্রায় আরজিনা বেগমকে নির্যাতন করতো। সোমবার সকালে বাবলু ভাত খাওয়ার সময় ভাতের প্লেটে চুল দেখে আরজিনাকে মারধর করার এক পর্যায়ে আরজিনার হাত-পা বেঁধে তার মাথার চুল ন্যাড়া করে দেয়।

খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ বাবলুকে আটক করে। এ ব্যাপারে আরজিনার বাবা সদর উপজেলার চক ভারুনীয়া গ্রামের বেলাল সরদার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করে। আরজিনা এবং বাবলুর বিয়ে হয় ৭ বছর আগে। তাদের কোনো সন্তান নেই। বাবলু এর আগেও দুটি বিয়ে করেছিল বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

*যে কারণে একজন হিন্দু মেয়েকেই চারবার বিয়ে*

*ভারতে ধর্মকে ঘিরে বিদ্বেষ দিন দিন বেড়েই চলেছে, অথচ এর মধ্যেই ব্যতিক্রমী নজির গড়েছেন এক যুগল। দুই জন দুই ধর্মের হলেও তাদের ভালোবাসায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এরইমধ্যে চারবার বিয়ে সেরেছেন তারা। ফইজ প্রগতিশীল মুসলিম পরিবারের ছেলে হলেও, অঙ্কিতা হিসারের রক্ষণশীল হিন্দু পরিবারের মেয়ে। ফইজ ও অঙ্কিতার সম্পর্কের কথা শোনা মাত্রই অঙ্কিতার পরিবার জানিয়ে দিয়েছিল তারা এই সম্পর্ক মেনে নেবে না।*

*পরিবারের কথা মানতে গিয়ে তখন দু’জনেই ভেবেছিলেন সম্পর্কের ইতি টানবেন। কিন্তু ৩-৪ দিন পরই বুঝে গিয়েছিলেন একে অপরকে ছেড়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব। অঙ্কিতার পরিবার এই বিয়ে মানতে চাইছিলেন না কারণ তাদের ধারণা ছিল বিয়ের পর নিজের ধর্ম-জাতি সংস্কৃতি-নাম সবই বদলে ফেলতে হবে অঙ্কিতাকে। কিন্তু ফইজ এমন নন, একথা পরিবারকে জানিয়ে দেন অঙ্কিতা। ধর্মের অনুসারে ফইজ চারবার বিয়ে করতে পারেন। এতে তাদের মেয়ে কষ্ট পাবেন এই ভেবেও বার বার এই সম্পর্ক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় অঙ্কিতার পরিবার।*

*হঠাৎই একদিন বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে ফইজ অঙ্কিতার বাড়িতে হাজির হন। অঙ্কিতার বাবাকে বুঝিয়ে বলেন যে তাদের আদরের মেয়েকে ততটাই আদরে রাখবেন যতটা তারা রেখেছিলেন। কখনই নিজের সংস্কৃতিকে ছাড়তে হবে না। ধর্মও পরিবর্তন করতে হবে না এবং আমিষ খেতে হবে না। ধর্মে যেহেতু চার বার বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া হয় পুরুষদের তাই চার বারই অঙ্কিতাকেই বিয়ে করবেন তিনি। এমন আশ্বাসও সেদিন দিয়েছিলেন ফইজ। কিন্তু তাও মেনে নেয়নি অঙ্কিতার পরিবার।*

*এরপর একটি রাম মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেন ফইজ ও অঙ্কিতা। আইনি মতেও দু’জন বিয়ে করেন। তারপর নিকা। বন্ধুদের সঙ্গে এই আনন্দ ভাগ করে নেবেন বলে দু’জন গোয়ার সমুদ্র সৈকতে বন্ধুদের নিয়ে যান। আর ফইজ তার কথা রেখে অঙ্কিতাকেই চার বার বিয়ে করেন।*
*দু’বছর হয়ে গেছে ফইজ অঙ্কিতার বিয়ে হয়েছে। কিন্তু দুজনের কাউকেই নিজের ধর্ম ও সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হয়নি। এর মধ্যে অঙ্কিতার পরিবারও ফইজকে আপন করে নিয়েছে। তাই আজ একই বাড়িতে ঈদ আর দিপাবলী একসঙ্গে পালিত হয়। সূত্র: কলকাতা ২৪*৭।*




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *